
মুহাম্মদ এমরান, লামা-বান্দরবান
পার্বত্য বান্দরবানের লামা থানাধীন কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি জামিল আহমেদ এর নেতৃত্বে পর পর কয়েকটি সফল অভিযানে লামা-চকরিয়া সড়কে বন্ধ হয়েছে ডাকাতি। একসময় যে সড়কটি ছিলো ডাকাতদের আস্তানা সেই সড়কে বর্তমানে নির্ভয়ে চলাফেরা করতেছে সকলে।
জামিল আহমেদ কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি হিসেবে জয়েন করার পর থেকে পরপর কয়েকটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ১৪ জন ডাকাত দলের সদস্যকে আটক করে জেল হাজতে পেরণ করেছে।তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের চৌকস অফিসার জামিল আহমেদ এর সাথে নেতৃত্ব দেন এএসআই মোঃ মনসুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা। তাদের এই সফল অভিযানসহ সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে মুগ্ধ হয়েছেন এলাকাবাসী।
জামিল আহমেদ কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি হিসেবে জয়েন করার পর থেকে প্রায় শতাধিক আসামি গ্রেফতার করে প্রশংসায় ভাসছেন। কক্সবাজারের চকরিয়ার আলোচিত মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনটি মার্ডার মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছেন এই চৌকস অফিসার।
শুধু তাই নয়, কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকসহ অনেক জনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ৫০০০ পিস ইয়াবাসহ ৪ জনকে আটক করে জেল হাজতে পেরণ করা হয়েছে।
জনগণ যাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে এবং নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে তার জন্য লামা-চকরিয়া সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ১টি টহল টিম দিবারাত্রি টহল দিচ্ছে এবং ৩ টি ফিক্সড চেকপোস্ট বিকাল ৫ টা হইতে রাত ১১ টা পর্যন্ত ডিউটি করে। সেইসাথে ৩টা ভ্রাম্যমাণ চেকপোস্ট রাত ১০টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে বসে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।
কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মোঃ জামিল আহমেদ বলেন, জনগণের নিরাপত্তায় আমাদের লক্ষ্য। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, সময়ে সময়ে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, কিংবা বাংলাদেশ পুলিশ জনসাধারণের কল্যাণার্থে বিশেষত পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন ধরণের নির্দেশনা দিয়ে থাকেন, সেগুলো মেনে চললে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব।
মন্তব্য করুন