
টানা সাত দিনের এই ব্যাপক গণসংযোগে সালাহউদ্দিন আহমদ চষে বেড়িয়েছেন দুই উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন। খুটাখালী থেকে হারবাং, মগনামা থেকে বদরখালী—প্রতিটি জনপদেই তাকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ফুলের ভালোবাসায়। ৩০টি পথসভা ও অসংখ্য উঠান বৈঠক মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে বিশাল জনসমাবেশে। বিশেষ করে নারী ভোটার এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার মতবিনিময় ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যা স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দেয়।
শুধুমাত্র আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, সালাহউদ্দিন আহমদ শুনিয়েছেন আগামীর সমৃদ্ধির গল্পও। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে চকরিয়া-পেকুয়া ও উপকূলীয় অঞ্চলকে একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘বিজনেস হাব’-এ রূপান্তর করা হবে।
উন্নয়নের এই মহাপরিকল্পনায় রয়েছে:
স্থানীয় সাধারণ মানুষের মতে, সালাহউদ্দিন আহমদ কেবল কক্সবাজারের নেতা নন, তিনি একজন জাতীয় সম্পদ। ভারতের শিলং থেকে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক আলোচনা ও পরিপক্ব নেতৃত্ব তাকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। জনগণ বলছেন, “এখানে কোনো দলীয় প্রতীক নয়, ‘ব্যক্তি’ সালাহউদ্দিনই আমাদের কাছে শেষ কথা।”
১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তার জাদুকরী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চকরিয়া-পেকুয়া এগিয়ে গিয়েছিল ৫০ বছর। দুর্গম এলাকাতেও তিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন উন্নয়নের ছোঁয়া। তাই এবারও তাকে নিয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী।
গণসংযোগের ভিড়ে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। পথিমধ্যে খবর পান, একজন শতবর্ষী বৃদ্ধা তাকে দেখার জন্য রাস্তার পাশে অপেক্ষা করছেন। ব্যস্ত কর্মসূচি থামিয়ে তিনি ছুটে যান সেই মায়ের কাছে। গাড়ি থামিয়ে নিজের হাতে ওই বৃদ্ধার গলায় পরিয়ে দেন ফুলের মালা। নেতার এমন বিনয় ও ভালোবাসায় অশ্রুসজল হয়ে পড়েন উপস্থিত জনতা, আর বৃদ্ধা মা দুহাত তুলে দোয়া করেন তার প্রিয় ‘সন্তান’কে।
চকরিয়া-পেকুয়ার রাজনৈতিক আকাশে সালাহউদ্দিন আহমদের এই প্রচারণা শুধু নির্বাচনী গণসংযোগ নয়, বরং এটি ছিল হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার ও নতুন স্বপ্ন বোনার এক সপ্তাহ।
মন্তব্য করুন