
নজরুল ইসলাম
বান্দরবানের লামা থানা পুলিশের অভিযানে খুন, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ১৩টি মামলার দুর্ধর্ষ আসামি ফরিদুল আলম ওরফে ডাকাত ফরিদ (৪৫) কে একটি একনলা বন্দুকসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ইং রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে লামা থানাধীন ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ফকিরাখোলা পাড়া এলাকার স্থানীয় লোকজন তাকে ডাকাত সন্দেহে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে লামা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল) জনাব মাসুম সরদার মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে এবং লামা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল মহোদয়ের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অংশ নেন এসআই নাছির উদ্দীন, এসআই আলমগীর হোসেন, এসআই মেহেদী হাসান চৌধুরী, কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই মুনছুর রহমান ও এএসআই আনোয়ার হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স।
অভিযানকালে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং ভোর ৫টা ০৫ মিনিটে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ফকিরাখোলা টানা ব্রিজের পূর্ব-উত্তর পাশে ঢালু জঙ্গলের ভেতর থেকে একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি ফরিদুল আলম ওরফে ডাকাত ফরিদ কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন খুটাখালী ইউনিয়নের নোয়া মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত নুরুল হুদা ও মাতা জরিনা বেগম।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় খুন, ডাকাতির প্রস্তুতি, পুলিশ ওপর হামলা, অস্ত্র আইনসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে লামা থানায় অস্ত্র আইনে একটি নতুন মামলা রুজু করে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মন্তব্য করুন