
নজরুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় একক আধিপত্য বিস্তার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। অপরদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম থাকায় পুরো নির্বাচনী মাঠ নিষ্প্রাণ হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শেষ কয়েকদিন ধরে লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে বিএনপির প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা ও মিছিল চোখে পড়ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা। পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা।
অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র শাপলা প্রতীকের এস এম সুজাউদ্দিন সুজা’র নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ তেমনভাবে চোখে পড়ছে না। তুলনামূলকভাবে তার মাঠ পর্যায়ের উপস্থিতি অনেক কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।
জাতীয় পার্টি (কাদের)’র লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আবু জাফর ওয়ালীওল্লাহ’র প্রচারণায়ও সরাসরি গণসংযোগ বা সভা সমাবেশ খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তার পক্ষে মূলত মাইকিংয়ের মাধ্যমেই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ-এর প্রচার-প্রচারণাও খুবই সীমিত পরিসরে দেখা যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে দু’একটি স্থানে লিফলেট বিতরণ ছাড়া বড় ধরনের কর্মসূচি চোখে পড়েনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী মাঠে এই অসম প্রচারণা পরিস্থিতি বান্দরবান ৩০০ নং আসনের নির্বাচনকে অনেকটাই একপাক্ষিক করে তুলেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সক্রিয়তা না থাকায় ভোটের আমেজ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে মত সচেতন মহলের।
নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এই পরিস্থিতি ভোটের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলে—সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো আসনবাসী।
মন্তব্য করুন